https://www.effectivecpmnetwork.com/iaby930p4?key=6afc5158429eeea2b49232e9ee38eda7
আওয়ামী লীগের রাতের মধ্যেই জিরো পয়েন্টে কর্মসূচি প্রতিহত করতে রাতেই গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়েছে ছাত্র-জনতা। রোববার (১০ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের’ দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে। এই কর্মসূচির জবাবে রাত থেকেই ছাত্র-জনতা জিরো পয়েন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে।
শনিবার (৯ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের রাতের মধ্যেই জিরো পয়েন্টে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টার প্রকাশ করা হয়, যেখানে লেখা, “১০ নভেম্বর আসুন জিরো পয়েন্টে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে।” একই পেজে পরে একটি পোস্টে নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায়, গণতন্ত্র ও সুবিচার প্রতিষ্ঠায় দলে দলে ঢাকায় আসুন।” পোস্টে বিকেল ৩টায় কর্মসূচি শুরুর কথা উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের কর্মসূচির প্রতিরোধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ তার ভেরিফায়েড প্রোফাইলে ‘পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে গণজমায়েত’-এর ডাক দিয়ে রবিবার জিরো পয়েন্টে দুপুর ১২টায় ছাত্র-জনতাকে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানান।
এই ঘোষণা আসার পর থেকেই গুলিস্তানে ব্যাপক জনসমাগম শুরু হয়। সেখানে জড়ো হওয়া অনেকের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা যায়। গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে তারা জানান, আওয়ামী লীগের কর্মসূচি প্রতিহত করতে তারা সেখানে অবস্থান নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটি এখনও সফলভাবে কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারেনি।
মোড়ে র্যাব পরিচয়ে ২৬ লাখ টাকার ছিনতাইয়ের ঘটনায় আন্তজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রমনা মডেল থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার ইসিবি চত্বর ও বংশাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস ও আটটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩৫), মো. কবির হোসেন (৫০), মো. শরিফ (২৫), মো. মনির হোসেন (৪০) ও মো. হাবিবুর খন্দকার (৩৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ৪ ডিসেম্বর দুপুরে ডেমরার মাতুয়াইলের ট্রাসমি কোম্পানি লিমিটেডের ডিএমডি সাইফুল ইসলাম (৩৮) তাঁতীবাজারের রামের গদি নামের একটি স্বর্ণালংকারের দোকান থেকে ২৬ লাখ ১২ হাজার টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। বংশাল চৌরাস্তা থেকে বাসে ওঠার পর কাকরাইল মোড়ে যান চলাচলে সিগন্যাল পড়ে। তখন ১০-১২ জন লোক নিজেদের র্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে বাসে ওঠে। তাঁদের মধ্যে একজনের গায়ে ‘র্যাব’ লেখা জ্যাকেট, হাতে হাতকড়া ও ওয়্যারলেস সেট ছিল।
তারা যাত্রীদের জানায়, বাসে মামলার এক আসামি রয়েছে। পরে সাইফুল ইসলামকে নামিয়ে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। তাঁর কাছ থেকে টাকাগুলো ছিনিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণ পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সাইফুল ইসলাম এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা করেন।
মামলার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও সদস্যদের খুঁজছে।