ভারতের জন্য ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি নিয়ে আশাবাদী মনোভাব থাকলেও, বাণিজ্য এবং শুল্ক বিষয়ক উদ্বেগও রয়েছে।

প্রকাশিত: 12:21 AM, November 10, 2024

ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ওয়াশিংটনে দায়িত্ব গ্রহণের অপেক্ষায় আশাবাদী,ভারতের জন্য ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সি বিশেষত সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা কৌশলগত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাশিয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের কম সংঘাতমূলক মনোভাব ভারতকে উপকারে আনবে।

তবে, ভারতের জন্য বাণিজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে, যা ট্রাম্পের “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতির প্রভাবিত হতে পারে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক অভিনন্দন বার্তায় ট্রাম্পকে ‘আমার বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে আমরা কম্প্রিহেনসিভ গ্লোবাল এবং স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ নবায়নের জন্য অপেক্ষা করছি।”

মোদী ২০২০ সালে তার প্রথম মেয়াদে ট্রাম্পের ভারত সফরের সময়ের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন, যেখানে তারা একে অপরকে আলিঙ্গন করছেন, যা তাদের উষ্ণ সম্পর্কের প্রতীক।

বিশ্লেষকরা আশা করছেন, ভারত ওয়াশিংটনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে থাকবে, তবে ট্রাম্পের অধীনে বাণিজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। ট্রাম্প “আমেরিকা ফার্স্ট” নীতি অনুসরণ করার কথা বলেছেন এবং শুল্ক আরোপের মাধ্যমে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত থাকা দেশগুলোর ওপর চাপ বাড়াতে চান।

গত বছর, ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ছিল প্রায় ১২ হাজার কোটি ডলার, যেখানে ভারতের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত ছিল ৩ হাজার কোটি ডলার।

বাইডেন প্রশাসনের অধীনে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা শক্তিশালী হয়েছিল, কিন্তু ট্রাম্পের প্রশাসনে এটি কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। বিশেষত, ভারত সরাসরি সামরিক সরঞ্জাম না কিনে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সহ-উৎপাদনের দিকে মনোযোগ দিয়েছে, যা ট্রাম্পের অধীনে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

 ঢাকায় র‍্যাব পরিচয়ে ২৬ লাখ টাকা ছিনতাই , ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার