
আইএমএফ: মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অগ্রগতি সঠিক পথে
।
সংস্থাটি জানায়,আইএমএফ: মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের অগ্রগতি সঠিক পথে এশিয়া দ্রুত মন্দা কাটিয়ে উঠছে এবং মূল্যস্ফীতি কমার ফলে এই অঞ্চলের অনেক দেশেই সুদের হার কমানো হতে পারে। তবে রপ্তানি নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর পর থেকেই এশিয়ায় মূল্যস্ফীতি হ্রাস পেয়েছে এবং ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বলেন, এশিয়ার অর্থনীতি অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে, যা সামাল দিতে অনেক দেশকে ঋণ নিতে হয়েছে। বৈশ্বিক ঋণের একটি বড় অংশ এশিয়ার দখলে, যা ২৮ থেকে ৩৫ শতাংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। বৈশ্বিক মন্দার পর চীন ও জাপানও বড় অঙ্কের ঋণ নিয়েছে, যার ফলে এ অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে।
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আইএমএফ জানায়, স্থানীয় অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পণ্য সরবরাহে জটিলতা এবং কিছু আর্থিক নীতি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি উঠে আসে। আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের সহকারী পরিচালক থমাস হেলব্লিং বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও টানা বন্যার কারণে পণ্য সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে। দেশের মূল্যস্ফীতি ২০২২ সাল থেকে উচ্চ মাত্রায় রয়েছে, তাই আপাতত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অপরিহার্য। এছাড়া, বৈদেশিক লেনদেনে ভারসাম্য রক্ষার প্রয়োজনও রয়েছে।
আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ, যা পরের বছরে কমে ৪ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়াতে পারে।


