কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় নিখোঁজ এক তিন বছরের শিশুটির লাশ প্রতিবেশীর ওয়্যারড্রোব থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী হাছান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ
মঙ্গলবার ভোরে শহরের পঞ্চবটি এলাকার একটি বাসা থেকে তিন বছর বয়সী শিশু সাহালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাহাল উপজেলার কালিকাপ্রসাদ এলাকার কাতার প্রবাসী সানাউল্লাহ বাবুর ছেলে। সে তার মা মোমেনা বেগমের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করত।
ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন মিয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যায় শিশু সাহাল নিখোঁজ হওয়ার পর তার মা মোমেনা বেগম থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং এলাকায় মাইকিং করেন।
প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে সন্দেহ
শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার সময় থেকে প্রতিবেশী হাছান মিয়ার বাসা তালাবদ্ধ ছিল। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে পরিবারের সন্দেহ হলে পুলিশের সহায়তায় ভোরে বাসার তালা ভেঙে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে কক্ষের ভেতরে ওয়্যারড্রোবের ড্রয়ারে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, এক আত্মীয়ের বাসা থেকে হাছান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রাথমিক কারণ ও মামলা
ওসি আরও জানান, হাছান মিয়া শিশুটির মা মোমেনা বেগমকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু মোমেনা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় শত্রুতা থেকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির দাদী নাসিমা বেগম বাদী হয়ে হাছান মিয়াকে আসামি করে ভৈরব থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের সাথেই থাকুন।