
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মাহমুদ পারভেজের ফ্ল্যাট থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার পাভেল রায় (৪৪) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা শহরের খড়মপট্টি এলাকার ওই বাসার চতুর্থ তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত পাভেল রায় একই এলাকার মৃত নরেশ রায়ের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাবেক মেয়রের ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন।
পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন পাভেল। সকালে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় বাসার লোকজন পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
ছাত্রজনতার ওপর ২৮ রাউন্ড গুলি: যুবলীগ কর্মী তৌহিদুল ইসলাম ফরিদ গ্রেপ্তার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ওপর ২৮ রাউন্ড গুলি চালানো পেশাদার সন্ত্রাসী তৌহিদুল ইসলাম ফরিদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পাকিস্তানি শুটারগান দিয়ে ২৮ রাউন্ড গুলি চালানো পেশাদার সন্ত্রাসী তৌহিদুল ইসলাম ফরিদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সাতক্ষীরার কমলনগর এলাকা থেকে চান্দগাঁও থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপকমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) রইছ উদ্দিন জানান, তৌহিদুল পেশাদার সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারী। তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে। তিনি আন্দোলনে ছাত্রজনতার ওপর ২৮ রাউন্ড গুলি চালানোর কথা স্বীকার করেছেন। পাকিস্তানি শুটারগান উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
তৌহিদুল জানিয়েছেন, সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা এসরারুল হক এবং আরেক যুবলীগ নেতা মহিউদ্দীন ফরহাদ গুলি চালানোর নির্দেশ দেন। এ কাজের জন্য তাকে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপর ১৮ জুলাই বহদ্দারহাট এলাকায় গুলি চালান তিনি।
তৌহিদুলের বাড়ি চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার শমশের পাড়ার বড় পুকুরপাড় এলাকায়। তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডের জন্য আদালতে উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

