৫ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সাধারণ ভোট, ইলেকটোরাল ভোটের দিন কবে?

প্রকাশিত: 11:04 AM, November 3, 2024

অনলাইন ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসছে।৫ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন মাত্র দুই দিন পর, ৫ নভেম্বর, ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই নির্বাচন ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫ নভেম্বর ভোট গ্রহণ শুরু হলেও সেদিনই চূড়ান্ত ফল জানা সম্ভব হবে না। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা ১৭ ডিসেম্বর নিজ নিজ রাজ্য ও ডিস্ট্রিক্ট অব কলম্বিয়াতে প্রেসিডেন্ট ও ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে একত্রিত হবেন।

এরপর ২৫ ডিসেম্বর সিনেটের প্রেসিডেন্ট ইলেকটোরাল ভোট গ্রহণ করবেন, এই দায়িত্ব বর্তমানে কমলা হ্যারিসের ওপর ন্যস্ত। নতুন বছরের ৬ জানুয়ারি ভাইস প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ইলেকটোরাল ভোট গণনা ও বিজয়ীর ঘোষণা করবেন।

নতুন প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ২০ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করবেন এবং সেদিন তাঁদের অভ্যর্থনা জানানো হবে।

আগরতলায় বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা।ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনে হামলার পর ভিসা ও কনস্যুলার সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের দূতালয় প্রধান মো. আল আমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “নিরাপত্তার অভাবজনিত পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।”

সোমবার, বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামের একটি সংগঠন সহকারী হাই কমিশনের সামনে একটি সভা আয়োজন করে। সভা শেষে সংগঠনের ছয়জনের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি জমা দিতে কার্যালয়ে প্রবেশ করে।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় বাইরে থাকা কিছু ব্যক্তি বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।

পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ ঘটনাকে “গভীর দুঃখজনক” বলে উল্লেখ করে জানায়, “কূটনৈতিক ও কনস্যুলার স্থাপনাকে কোনো অবস্থাতেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়। সরকার নয়া দিল্লি ও অন্যান্য জায়গায় বাংলাদেশ মিশনগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।”

আগরতলায় বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা।