
কিশোরগঞ্জে”কিশোরগঞ্জে ট্রেন টিকিট কালোবাজারি” রেলওয়ে থানা-পুলিশ ট্রেনের ৭০টি আসনের ১৯টি টিকিটসহ কালোবাজারি চক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশের এলাকা থেকে পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।”কিশোরগঞ্জে ট্রেন টিকিট কালোবাজারি” পুলিশ জানায়, তাঁরা পরিচিত ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহ করতেন এবং তা দুই থেকে তিন গুণ বেশি দামে বিক্রি করতেন।
আটককৃতরা হলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব তারাপাশা এলাকার আবদুর রাজ্জাক ওরফে শাবু মিয়া (৬০) এবং তাড়াইল উপজেলার বরুহা গ্রামের তপু চন্দ্র বর্মণ (৩০)।
রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে রেলওয়ে স্টেশনের বটতলা এলাকা থেকে ট্রেনের ১৫টি আসনের ৪টি টিকিটসহ আবদুর রাজ্জাককে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাত সাড়ে নয়টার দিকে পার্শ্ববর্তী ওয়ালী নেওয়াজ খান কলেজ রোডের পূর্ণতা ডিজিটাল স্টুডিও ও ফটোকপি দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ৫৫টি আসনের ১৫টি টিকিট, একটি স্ক্যানার প্রিন্টার, একটি কম্পিউটারসহ তপু চন্দ্র বর্মণকে আটক করা হয়।
ঢাকা জেলা রেলওয়ের পুলিশ সুপার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা স্বীকার করেছেন যে, পরিচিতদের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অনলাইন থেকে একাধিক টিকিট সংগ্রহ করেন। এরপর ফেসবুক পেজে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রকৃত দামের দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ বেশি দামে সেগুলো বিক্রি করেন। সাধারণত ১৬০ টাকা মূল্যের টিকিট ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করতেন। এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


