
শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, এমন দাবি মিথ্যা বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে ছড়িয়ে পড়া খবরটি সঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন কোনো মন্তব্য করেননি।

prothomalo-bangla
এএফপি বুধবার এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে যে, ট্রাম্প একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।’ তবে ওই সাক্ষাৎকারে এমন কোনো কথা বলেননি ট্রাম্প। নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও কোনো মন্তব্য করেননি।
ফেসবুকে একটি ভুয়া পোস্টে দাবি করা হয়, ট্রাম্প পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘যেহেতু শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেননি, তিনি এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।’ এই পোস্টে একটি ছবি যোগ করা হয়েছিল, যেখানে ট্রাম্প প্যাট্রিক বেট-ডেভিডের সঙ্গে পডকাস্টে বসে কথা বলছেন, এবং ছবির ওপর বাংলায় লেখা ছিল, ‘আমি মনে করি হাসিনা এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।’
এএফপির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, এমন ভুয়া দাবি একাধিক পোস্টে প্রচারিত হয়েছে, যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
পাকুন্দিয়ায় ধরা পড়ল আন্তঃজেলা চোরচক্রের দুই সদস্য
আগরতলায় বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা।ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনে হামলার পর ভিসা ও কনস্যুলার সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের দূতালয় প্রধান মো. আল আমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “নিরাপত্তার অভাবজনিত পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।”
সোমবার, বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামের একটি সংগঠন সহকারী হাই কমিশনের সামনে একটি সভা আয়োজন করে। সভা শেষে সংগঠনের ছয়জনের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি জমা দিতে কার্যালয়ে প্রবেশ করে।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় বাইরে থাকা কিছু ব্যক্তি বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ ঘটনাকে “গভীর দুঃখজনক” বলে উল্লেখ করে জানায়, “কূটনৈতিক ও কনস্যুলার স্থাপনাকে কোনো অবস্থাতেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়। সরকার নয়া দিল্লি ও অন্যান্য জায়গায় বাংলাদেশ মিশনগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।”


