
ময়মনসিংহের নান্দাইলে চোখ হারানো পাপিয়ার মৃত্যুর ধর্ষণ ও নির্যাতনে চোখ হারানোর পর শিক্ষার্থী পাপিয়া আক্তারের (১৫) মৃত্যুর ঘটনায় ধর্ষক হোসাইনকে অবিলম্বে গ্রেফতারসহ সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নান্দাইল উপজেলার সিংরইল ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে নিহত ওই শিক্ষার্থীর বাড়ির সামনে নান্দাইল টু হোসেনপুর সড়কে উক্ত মানববন্ধনে ধর্ষকের দ্রুত বিচারের দাবি জানায় ধর্ষিতার পরিবার ও এলাকার সর্বস্তরের জনগণ।
জানা গেছে,চোখ হারানো পাপিয়ার মৃত্যুর পাপিয়াকে অপহরণকারী ধর্ষক হোসাইন একই ইউনিয়নের কুচুরী চরপাড়া গ্রামের হানিফ মিয়ার পুত্র। হোসাইন ওই শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত।
একপর্যায়ে গত ১ জুন প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় জোরপূর্বক ছাত্রীটিকে দলবলসহ উঠিয়ে নারায়ণগঞ্জ এলাকায় নিয়ে ধর্ষণসহ শারীরিক নির্যাতন করে। পরে ছাত্রীটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ৬ সেপ্টেম্বর নান্দাইল টু হোসেনপুর রাস্তায় ফেলে রেখে যায় ধর্ষক হোসাইন। এতে পাপিয়া আক্তার তার ডান চোখ হারানোর পর অবশেষে চিকিৎসার অভাবে ১৬ ডিসেম্বর মারা যায়।
ওই শিক্ষার্থী সিংরইল ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের নিরীহ কৃষক আবুল কালামের মেয়ে। সে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
পাকুন্দিয়ায় ধরা পড়ল আন্তঃজেলা চোরচক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৪টার দিকে পৌরসদরের কলেজ রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় চোরাই কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক ও কাটার মেশিনও জব্দ করা হয়েছে।
আটককৃতদের পরিচয়:
আটককৃতরা হলেন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বর গ্রামের আবদুস ছালামের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২৬) এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কুন্দখালাসপুর গ্রামের আবদুল হান্নানের ছেলে গোলাম রাব্বানী (৩০)।
ঘটনার বিবরণ:
পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে পৌরসদরের মেইন সড়কে টহল দিচ্ছিল পাকুন্দিয়া থানার একটি টহল দল। গরুবোঝাই একটি ট্রাক সন্দেহজনক মনে হলে থামানোর চেষ্টা করা হয়। ট্রাকটি পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে কলেজ রোড থেকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে ট্রাকটি তল্লাশি করে চোরাই গরু এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত কাটার মেশিন জব্দ করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য:
পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, আটককৃতরা আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। চোরাই কাজে ব্যবহৃত ট্রাক, কাটার মেশিন এবং গরু দুটি জব্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


