
অনলাইন ডেস্ক: কিশোরগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্র হত্যার পাকুন্দিয়া উপজেলার মাদ্রাসাছাত্র আবুল হোসেন হত্যাকাণ্ডে আদালত একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে। কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক ফাতেমা জাহান স্বর্ণা আজ বুধবার বিকেলে এ রায় প্রদান করেন।কিশোরগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফারুক পাকুন্দিয়া উপজেলার বারাবর গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে, এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. নুরুল ইসলাম (নুরু মেম্বার) ও সিরাজুদ্দিনের ছেলে মো. রিয়াজ উদ্দিন।
দুই যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্র হত্যা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফারুক এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত রিয়াজ উদ্দিন বর্তমানে পলাতক।
মামলার বিস্তারিত অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বিকেলে পাকুন্দিয়া উপজেলার বারাবর গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. রেনু মিয়ার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে আবুল হোসেন (১৪) মো. ফারুকের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়, এরপর থেকে তার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ৫ সেপ্টেম্বর আবুল হোসেনের মা পাকুন্দিয়া থানায় নিখোঁজের মামলা করেন। ১০ সেপ্টেম্বর আবুল হোসেনের মরদেহ খামা শৈলমারী বিলের পানিতে বাঁশের খুঁটিতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় একই দিন আবুল হোসেনের মা নাছিমা খাতুন পাকুন্দিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ফারুকসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়, যেখানে বলা হয় মোবাইল ফোন আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে আবুল হোসেনকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছিল। মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর আইনজীবী মো. জালাল উদ্দিন।


