
বনভোজনের বাস বিদ্যুতায়িত
বনভোজনের বাস বিদ্যুতায়িত বনভোজনে যাওয়ার পথে গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি দ্বিতল বাস বিদ্যুতায়িত হয়ে তিন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের চার কর্মকর্তা ও তিন লাইনম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. আকমল হোসেন বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২–এর উপমহাব্যবস্থাপক (সদর-কারিগরি) কমলেশ চন্দ্র বর্মণ, শ্রীপুর মাওনা জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক খোন্দকার মাহমুদুল হাসান, সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. তানভীর সালাউদ্দিন, জুনিয়র প্রকৌশলী মতিউর রহমান, এবং লাইনম্যান পারভেজ মিয়া ও আবুল কাশেম। তাঁদের বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড।
ঘটনাটি ঘটে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শ্রীপুরের উদয়খালী গ্রামে। গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল অ্যান্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা বনভোজনে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ৪৬০ জন বিআরটিসির ৬টি দ্বিতল বাসে করে শ্রীপুরের একটি রিসোর্টে যাচ্ছিলেন। গন্তব্যের দেড় কিলোমিটার আগে শেষ বাসটি সড়কে ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়, যার ফলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।
নিহত শিক্ষার্থীরা হলেন ফেনীর মাস্টারপাড়া এলাকার মোতাহার হোসেনের ছেলে মীর মোজাম্মেল নাঈম (২৩), রাজশাহীর রাজপাড়া ডিঙ্গাব এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে জোবায়ের আলম সাকিব (২২) এবং রংপুর সদরের ইমতিয়াজুর রহমানের ছেলে মুবতাছিন রহমান মাহিন (২২)।
এ ঘটনায় ইসলামিক ইউনিভার্সিটির সহ-উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) মো. রাকিবুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুনের নেতৃত্বে চার সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ছাত্র-জনতার ওপর ২৮ রাউন্ড গুলি চালানো যুবলীগ কর্মী গ্রেপ্তার


