
আগরতলায় বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা।
আগরতলায় বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা।ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনে হামলার পর ভিসা ও কনস্যুলার সেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের দূতালয় প্রধান মো. আল আমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “নিরাপত্তার অভাবজনিত পরিস্থিতিতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনের ভিসা ও কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।”
সোমবার, বাংলাদেশের সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীর গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে হিন্দু সংঘর্ষ সমিতি নামের একটি সংগঠন সহকারী হাই কমিশনের সামনে একটি সভা আয়োজন করে। সভা শেষে সংগঠনের ছয়জনের একটি প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি জমা দিতে কার্যালয়ে প্রবেশ করে।
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময় বাইরে থাকা কিছু ব্যক্তি বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা নামিয়ে ছিঁড়ে ফেলে এবং কার্যালয়ের সাইনবোর্ড ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
পরে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ ঘটনাকে “গভীর দুঃখজনক” বলে উল্লেখ করে জানায়, “কূটনৈতিক ও কনস্যুলার স্থাপনাকে কোনো অবস্থাতেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়। সরকার নয়া দিল্লি ও অন্যান্য জায়গায় বাংলাদেশ মিশনগুলোর নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।”
আরও পড়ুন:পাকুন্দিয়ায় ধরা পড়ল আন্তঃজেলা চোরচক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই হামলাকে “পূর্বপরিকল্পিত” বলে অভিহিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ জানায়, এ ঘটনায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে চারজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পশ্চিম ত্রিপুরার পুলিশ সুপার কিরণ কুমার জানান, নিউ ক্যাপিটাল কমপ্লেক্স (এনসিসি) থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে তলব করা হয়।


