ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ করার পক্ষে ড. ইউনূস

প্রকাশিত: 10:34 PM, December 27, 2024
https://www.effectivecpmnetwork.com/iaby930p4?key=6afc5158429eeea2b49232e9ee38eda7

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ভোটার হওয়ার বয়স ১৭  তরুণদের সংখ্যা অনেক বেশি এবং তারা দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর আগ্রহী। তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি মনে করেন, ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারণ করা উচিত।

আজ শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেট কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ আয়োজিত দুই দিনব্যাপী জাতীয় সংলাপ ২০২৪-এর উদ্বোধনী ভাষণে তিনি এই মন্তব্য করেন। ভিডিওবার্তার মাধ্যমে তিনি ভাষণ প্রদান করেন। ভোটার হওয়ার বয়স ১৭

সংস্কারের জন্য ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, “জাতীয় ঐকমত্য গঠন কমিশন এই বিষয়গুলোতে সিদ্ধান্ত নিতে কাজ করছে। বিভিন্ন দেশে ভোটার হওয়ার বয়স ভিন্ন ভিন্ন, এবং নির্বাচন সংস্কার কমিশনও এমন একটি বয়স সুপারিশ করবে। আমার ব্যক্তিগত পছন্দ এই সুপারিশের সঙ্গে মিলতেও পারে, নাও মিলতে পারে। তবে আমি তরুণদের তাড়াতাড়ি ভোটার করার পক্ষে। কারণ, তরুণরা পরিবর্তনের প্রতি সবচেয়ে বেশি আগ্রহী।”

প্রধান উপদেষ্টার মতে, তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে যারা বেশি পরিচিত, তারাই তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। “তরুণরা সংখ্যায় অনেক বেশি এবং দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তাদের মতামত নেওয়ার জন্য আমি মনে করি, ভোটার হওয়ার বয়স ১৭ বছর নির্ধারণ করা উচিত।”

তবে, নির্বাচন সংস্কার কমিশন কী সুপারিশ করবে তা নিশ্চিত নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। “যদি দেশের বেশিরভাগ মানুষ কমিশনের প্রস্তাবিত বয়স সমর্থন করে, তাহলে আমিও তা মেনে নেব। সংস্কারের এই দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকেরই পালন করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক দল, সামাজিক, অর্থনৈতিক, ব্যবসায়িক ও ধর্মীয় জনগোষ্ঠী সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু বাংলাদেশকে মুক্ত করেনি, আমাদের স্বপ্নকে সাহসী করেছে। বাকরুদ্ধ বাংলাদেশ আবার শক্তি ফিরে পেয়েছে। এই ঐক্যই আমাদের মূল শক্তি।”

তিনি উল্লেখ করেন, গত পাঁচ মাসে ঐক্য আরও দৃঢ় হয়েছে এবং বিরোধী শক্তি ভাঙন সৃষ্টির চেষ্টা করলেও এই ঐক্যের মাধ্যমেই দেশ অসাধ্যকে সাধন করতে সক্ষম। “এখনই আমাদের অর্থনীতিকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সম্পদ ও সুযোগের বৈষম্য থাকবে না।”

নির্বাচন ও সংস্কারের কাজ একই সঙ্গে চলবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “নির্বাচনের প্রস্তুতি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। তবে সংস্কারের কাজে প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ জরুরি। যারা এখন ভোটার, তারা তো অংশ নেবেনই; পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ভোটাররাও সংস্কারের এই উদ্যোগে নিজেদের সম্পৃক্ত করবেন।”

গফরগাঁওয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসে গুরুতর আহত ১