সিএমএইচে লাইফ সাপোর্টে মাগুরার অসুস্থ শিশুটি

প্রকাশিত: 11:40 PM, March 10, 2025
https://www.effectivecpmnetwork.com/iaby930p4?key=6afc5158429eeea2b49232e9ee38eda7

মাগুরায় ধর্ষণের শিকার আট বছরের শিশুটি বর্তমানে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) লাইফ সাপোর্টে রয়েছে। সিএমএইচে লাইফ সাপোর্টে শিশুটি সোমবার (১০ মার্চ) রাতে শিশুটির বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানিয়েছে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে ৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় সিএমএইচের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। ভর্তি হওয়ার সময় শিশুটি ছিল সম্পূর্ণ অচেতন। তখন তার রক্তচাপ ছিল ১২০/৭০ মি.মি. (কার্ডিয়াক সাপোর্টসহ), হৃদস্পন্দন ১১৮ প্রতি মিনিটে এবং অক্সিজেনের মাত্রা ৯৬ শতাংশ পাওয়া যায়। তার গলার সামনের অংশে গভীর ক্ষত ও শরীরের সংবেদনশীল স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

শিশুটির সঠিক চিকিৎসার জন্য সিএমএইচের কমান্ড্যান্ট, চিফ সার্জন জেনারেল, এবং শিশু, স্ত্রী ও ধাত্রীবিদ্যা, প্লাস্টিক সার্জারি, শিশু সার্জারি, অ্যানেস্থেশিয়া ও নিউরোলজির বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে উচ্চ পর্যায়ের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিটি স্ক্যান, চেস্ট ও ব্রেইনের পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসা শুরু করা হয়।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, শিশুটি Pneumothorax (ডান ফুসফুসে বাতাস জমে যাওয়া), ARDS (তীব্র শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা) ও Diffuse Cerebral Edema (মস্তিষ্কে ফোলাভাব) সমস্যায় ভুগছে। চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং প্রতিদিন স্ট্যান্ডার্ড আইসিইউ প্রটোকল অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এর আগে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আব্দুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, শিশুটি চোখের পাতা নড়িয়েছে, যা তার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত দেয়। এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, শ্বাসরোধের কারণে শিশুটির মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছিল, ফলে মস্তিষ্কে পানি জমে যায়, যা এখনো অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে বুকের মধ্যে জমে থাকা বাতাস অপসারণ করা হয়েছে। চিকিৎসকরা আশাবাদী যে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে শিশুটির অবস্থা আরও উন্নতি করবে।

গত ৫ মার্চ শিশুটির মা ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এ ঘটনায় শিশুটির ভগ্নিপতি, বোনের শ্বশুর, শাশুড়ি ও ভাশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত বোনের শ্বশুরের সাত দিনের রিমান্ড এবং স্বামী, শাশুড়ি ও ভাশুরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

ছাত্রজীবনে সফলতার জন্য ৫টি গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাস

 

 

4o