পুলিশ হেফাজতে স্ত্রীসহ দুই সহযোগী আটক

প্রকাশিত: 8:36 PM, November 22, 2024
মামলার বাদী কুলসুম বেগম। ছবি: সমকাল

পুলিশ হেফাজতে স্ত্রীসহ দুই সহযোগী আটক

আশুলিয়ায় জীবিত স্বামীকে ‘মৃত’ দেখিয়ে মিথ্যা মামলা: আটক স্ত্রীসহ তিনজন

https://www.effectivecpmnetwork.com/iaby930p4?key=6afc5158429eeea2b49232e9ee38eda7

আশুলিয়ায় জীবিত স্বামীকে ‘মৃত’ দেখিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় স্ত্রী কুলসুম বেগমসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ হেফাজতে স্ত্রীসহ দুই সহযোগী আটক কক্সবাজার থেকে আটককৃতরা হলেন কুলসুম বেগম (২১), মামলার মূল হোতা রুহুল আমিন এবং তার সহযোগী শফিকুর রহমান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মিথ্যা মামলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

মামলার পটভূমি:

কুলসুমের স্বামী আল আমিন অভিযোগ করেন, তাকে মৃত দেখিয়ে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, কুলসুমকে মিথ্যা মামলার জন্য ব্ল্যাকমেইল করেছেন রুহুল আমিন ও শফিকুর রহমান।

আটক ব্যক্তিদের বক্তব্য:

  • কুলসুম বেগম: রুহুল আমিন ও শফিকুর রহমান ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং ব্ল্যাকমেইল করে তাকে মিথ্যা মামলায় সই করায়।
  • রুহুল আমিন: কুলসুমই মামলার জন্য তার সহযোগিতা চেয়েছিলেন।
  • শফিকুর রহমান: কুলসুমের সঙ্গে গাড়িতে পরিচয়ের পর তিনি রুহুল আমিনের কাছে নিয়ে যান।

পুলিশের বক্তব্য:

আশুলিয়া থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং শনিবার কুলসুমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়ার জন্য তাকে আদালতে পাঠানো হবে।পুলিশ হেফাজতে স্ত্রীসহ দুই সহযোগী আটক

প্রসঙ্গত:

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় আশুলিয়ায় গুলি চালিয়ে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি নিহত হন। তাদের মধ্যে একজনকে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। সেই লাশটিকে নিজের স্বামী দাবি করে কুলসুম মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।

শিক্ষার্থীরা সড়ক-রেলপথ ছেড়ে সচিবালয়ে প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছে”

অনলাইন ডেস্ক:শিক্ষার্থীরা সড়ক রেলপথ ছেড়ে সচিবালয়ে মহাখালীর রেল ও সড়ক পথ থেকে অবরোধ তুলে নিয়েছেন সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে তারা সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছিলেন। তবে, সোমবার (১৮ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধিদল সরকারের উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করতে সচিবালয়ে যায়।

আন্দোলনকারী কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, “আমাদের প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে আলোচনা করতে গেছেন এবং তারা সেখান থেকে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে আসবেন। তবে আমরা সড়কটি ছেড়ে দিয়েছি, ঘোষণা অনুযায়ী।” অবরোধ চলাকালে শিক্ষার্থীরা সড়ক রেলপথ ছেড়ে বিক্ষোভ থেকে ট্রেনে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় শিশুসহ কয়েকজন রক্তাক্ত হন।

সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে করার দাবিতে মহাখালী ওভারব্রিজের নিচে রেললাইনে অবস্থান নিয়েছিলেন শতাধিক শিক্ষার্থী, ফলে ওই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় তারা স্লোগান দেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি মহাখালী রেলগেট অতিক্রম করার সময় বিক্ষোভকারীরা ট্রেনটি থামানোর চেষ্টা করেন, তবে ট্রেনটি গতিসম্পন্ন হয়ে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে থামানো সম্ভব হয়নি। কিছু বিক্ষোভকারী ট্রেনের দিকে ঢিল ছোড়ে, যার ফলে কয়েকজন আহত হন।

রেলওয়ে কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে মহাখালী এলাকায় দুটি আন্তঃনগর ট্রেন আটকে গেছে। এর মধ্যে জামালপুরের তারাকান্দিগামী অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী বনলতা এক্সপ্রেস রয়েছে।

এছাড়া, গত ২৪ অক্টোবরেও একই দাবিতে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছিলেন। সেদিন তারা কলেজ ক্যাম্পাসে জড়ো হয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং মহাখালীর আমতলীতে গিয়ে অবস্থান নেন।