মহাখালীতে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ, ট্রেনে হামলা

প্রকাশিত: 1:45 PM, November 18, 2024
ছবি: সংগৃহীত
https://www.effectivecpmnetwork.com/iaby930p4?key=6afc5158429eeea2b49232e9ee38eda7

অনলাইন ডেস্ক: মহাখালীতে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনে হামলা ও ভাঙচুর করেন, যার ফলে অনেক যাত্রী, শিশুসহ আহত হন। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

আন্দোলনকারী সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে মহাখালীতে শিক্ষার্থীদের রেললাইন অবরোধ আন্দোলন করছেন। তারা তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য প্রতিবাদ করছেন।

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ৭ কলেজকে অধিভুক্তি চাচ্ছেন না এবং এ অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন সময় আন্দোলন করে আসছেন। ঢাবি প্রশাসনও সাত কলেজের অধিভুক্তি রাখার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। রোববার (১৭ নভেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ঢাবি শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দেন যে, সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল না করলে কঠোর কর্মসূচি পালন করবেন। তারা জানান, আগামী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সাত কলেজের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ না করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং পরীক্ষা শেষে কঠোর আন্দোলন শুরু হবে। তাদের দাবি, সাত কলেজের কারণে ঢাবি শিক্ষার্থীদের আত্মমর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং ঢাবি ক্যাম্পাসে সাত কলেজের ভবন নির্মাণ করা যাবে না।

২০১৭ সালে ঢাকার সাত কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম ঢাবির অধিভুক্ত করা হয়। তবে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, এই অধিভুক্তির ফলে তাদের শিক্ষা মান উন্নয়নে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। তাই তারা সাত কলেজের সমন্বয়ে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ, এই অধিভুক্তি ছিল অপরিকল্পিত এবং আট বছর পরেও এর লক্ষ্য পূর্ণ হয়নি।

২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাতটি কলেজ— ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুরের সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ— ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়। এ সময় থেকে কলেজগুলোর নানা সমস্যা, যেমন পাঠদানে সমন্বয়হীনতা, ফল বিপর্যয় ও খাতা অবমূল্যায়ন অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল করে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।

কিশোরগঞ্জে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই নিহত।

কিশোরগঞ্জে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন, কিশোরগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে আহত এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. গোলাম মোস্তফা।কিশোরগঞ্জে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন ।

নিহত ব্যক্তি মো. জুলহাস মিয়া (৬০) শহরের বত্রিশ এলাকার বাসিন্দা ও আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই মো. রুবেল মিয়া (৩৬) পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।

ঘটনার বিবরণ

ওসি জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে গত ৩ ডিসেম্বর দুপুরে রুবেল মিয়া ধারালো ছুরি দিয়ে বড় ভাই জুলহাস মিয়ার পেটে আঘাত করেন। গুরুতর অবস্থায় জুলহাসকে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

গ্রেপ্তার ও তদন্ত

ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহায়তায় রুবেল মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। ওসি মোস্তফা বলেন, “আদালতে হাজির করার পর বিচারকের নির্দেশে রুবেলকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের মতে, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ ছিল, যা ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

হোসেনপুরে প্রাইভেট কার দুর্ঘটনা ।