
অনলাইন ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে র্যাব পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে র্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাতে ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হাই চৌধুরি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হলেন—পৌর শহরের উত্তরপাড়া এলাকার মর্তুজা আলির ছেলে আরিফুল হাসান (২৭), সাগর আহম্মদের ছেলে রাকিব আহমেদ ঈশান (১৮) এবং চণ্ডিবের এলাকার মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. নাসির মিয়া (৫১)।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ব্যবসায়ী মো. ইকবাল মিয়ার কাছে ২৯ অক্টোবর অজ্ঞাত নম্বর থেকে র্যাব পরিচয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।ভৈরবে র্যাব পরিচয়ে চাঁদাবাজি এরপর ১ নভেম্বর চাঁদাবাজরা তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং ১৫ হাজার টাকা নেন। ২ নভেম্বর, পুনরায় র্যাব পরিচয়ে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করলে, ইকবাল মিয়ার মেয়ে মাহমুদা বেগম র্যাব ক্যাম্পে অভিযোগ করেন। এর পর অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজদের আটক করা হয়।ভৈরবে র্যাব পরিচয়ে চাঁদাবাজি
সহকারী পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হাই চৌধুরি জানান, বিকেলে চাঁদাবাজরা আবারও ইকবালের বাড়িতে গেলে, র্যাব অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরে তাদের ভৈরব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা: “বগুড়ার গৃহবধূ হত্যাকাণ্ড ডিপ দুপচাঁচিয়ার জয়পুরপাড়া এলাকায় গৃহবধূ উম্মে সালমাকে হত্যার পর তার মরদেহ ডিপ ফ্রিজে রাখার ঘটনায়”বগুড়ার গৃহবধূ হত্যাকাণ্ড ডিপ ছেলে সাদ বিন আজিজুরকে গ্রেপ্তার ও তদন্ত নিয়ে র্যাবের কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল মুনিম ফেরদৌস।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে তিনি বলেন, “বগুড়ার এই ঘটনায় নিহত গৃহবধূর ছেলের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। তাকে ক্যাম্পে আনার সময় তার আত্মীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন। ছেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই র্যাব কাজ করেছে। তবে তদন্তে ভিন্নতা থাকতে পারে। পুলিশ ও র্যাব দু’পক্ষই তদন্ত চালাচ্ছে, প্রয়োজনে আমরা সহযোগিতা করব।”
উল্লেখ্য, গত ১০ নভেম্বর জয়পুরপাড়া এলাকার একটি বাসার ডিপ ফ্রিজ থেকে উম্মে সালমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই ঘটনায় তার ছোট ছেলেকে র্যাব গ্রেপ্তার করে এবং জানায়, হাতখরচের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মাকে হত্যা করেছে ছেলে। তবে পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে ভিন্ন তথ্য, যেখানে হত্যাকারী হিসেবে সন্দেহভাজন হিসেবে বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
র্যাবের গাফিলতির প্রসঙ্গে জানতে চাইলে লে. কর্নেল মুনিম ফেরদৌস বলেন, “র্যাবের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গেলে অথবা তা তদন্তে প্রমাণিত হলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ এখানে হয়নি।”
ছেলের স্বীকারোক্তি ও মিডিয়া ট্রায়ালের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “স্বীকারোক্তি মানেই অপরাধ প্রমাণ নয়। অভিযুক্ত যেকোনো সময় তার বক্তব্য পরিবর্তন বা অস্বীকার করতে পারেন, যা তার আইনগত অধিকার। তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। সত্য উদঘাটনে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”
উল্লেখ্য, নিহত উম্মে সালমা দুপচাঁচিয়া ডিএস ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আজিজুর রহমানের স্ত্রী। হত্যার রহস্য উদঘাটনে দুই সংস্থা তাদের পৃথক তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।


