উত্তর লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় শিশুসহ বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে,লেবানন গাজায় ইসরায়েলের হামলা যা উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী বৈরুতের উত্তরে আলমাত এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় ৭ শিশুসহ অন্তত ২৩ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে, গাজার উত্তর জাবালিয়া অঞ্চলে ইসরায়েলের হামলায় ১৩ শিশুসহ কমপক্ষে ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ওয়াফা এবং গাজার হামাস-পরিচালিত নাগরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবাননে হামলার বিষয়ে কোন মন্তব্য না করলেও গাজায় জাবালিয়ায় হামলা চালানোর বিষয়টি তারা নিশ্চিত করেছে। তারা দাবি করেছে যে, ওই এলাকায় সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানো হচ্ছিল এবং হামলা চলাকালে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা কম রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আলমাতের ধ্বংসস্তূপে এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। এদিকে, ইসরায়েল ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে দক্ষিণ লেবাননসহ সীমান্ত এলাকায় হামলা জোরদার করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে লেবাননের বিভিন্ন শহরে তারা আক্রমণ চালিয়েছে। এর মধ্যে, লেবাননের দক্ষিণে একটি স্বাস্থ্য দপ্তরের ভবনে হামলায় তিন চিকিৎসাকর্মীর নিহত হওয়ার খবরও নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
লেবাননের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৭ সপ্তাহ আগে শুরু হওয়া ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘর্ষে এ পর্যন্ত অন্তত ৩,০০২ জন নিহত হয়েছেন এবং ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। গাজায় ত্রাণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে, অক্টোবরের শুরু থেকে গাজার উত্তরাঞ্চল অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে, যখন ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধ শুরু করেছিল।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, হিজবুল্লাহ তাদের দিকে ৭০টি প্রজেক্টাইল ছোড়ার পর তারা বেশ কিছু রকেটও ঠেকাতে সক্ষম হয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহর সামরিক শক্তি দুর্বল করা, যা দক্ষিণ লেবানন ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে হুমকি সৃষ্টি করছে।