1. abunayeem175@gmai.com : Abu Nayeem : Abu Nayeem
  2. sajibabunoman@gmail.com : abu noman : abu noman
  3. asikkhancoc085021@gmail.com : asik085021 :
  4. nshuvo195@gmail.com : Nasim Shuvo : Nasim Shuvo
  5. nomun.du@gmail.com : Agri Nomun : Agri Nomun
  6. rajib.naser@gmail.com : Abu Naser Rajib : Abu Naser Rajib
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৫১ অপরাহ্ন

মিয়ানমারে গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১

মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলে মাগওয়ে এলাকায় একটি গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে দেশটির সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় গেরিলাদের সংঘর্ষের পর মধ্যাঞ্চলের ওই গ্রামটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় অন্তত দুজন দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।

পুড়িয়ে দেওয়া গ্রামটির নাম কিন মা। গ্রামটি মাগওয়ে অঞ্চলে অবস্থিত। গ্রামটির বাসিন্দারা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গ্রামটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।এতে গ্রামটির ২৪০টি ঘরের মধ্যে ২০০টিই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। খবর সিএনএন ও রয়টার্সের।

গ্রামবাসীর ভাষ্য,মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন জান্তাবিরোধী গেরিলাদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষের পরই গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। গ্রামটির একাধিক বয়স্ক অধিবাসীকে হত্যা করা হয়েছে বলেও বিভিন্ন সূত্র দাবি করেছে।

গ্রামটির ৩২ বছর বয়সি এক বাসিন্দা রয়টার্সকে জানান, মঙ্গলবার রাতে সেনাবাহিনী গ্রামটিতে আগুন ধরিয়ে দিলে তারা প্রাণ বাঁচাতে আশপাশের জঙ্গলে গিয়ে লুকিয়ে থাকেন। বুধবার সকালে গ্রামে এসে দেখেন মাত্র ৩০টির ঘর ছাড়া সব ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই। এ সময় তারা দুজনের দগ্ধ মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নাসার স্যাটেলাইট ফুটেজে গ্রামটিতে স্থানীয় সময় ৯টা ৫২ মিনিটে আগুন জ্বলতে দেখা যায় বলে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়।

এদিকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, গ্রাম জ্বালিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসীরা জড়িত। তাদের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে সেনাবাহিনীর সুনাম নষ্টের চেষ্টা চলছে। এ কারণে এর সঙ্গে সেনাবাহিনীকে জড়ানো হচ্ছে।

মিয়ানমারে গত বছরের নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে কথিত জালিয়াতির অজুহাত তুলে দেশটির সেনাবাহিনী গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থান ঘটায়। তারা অং সান সু চির নির্বাচিত সরকার উৎখাতের মাধ্যমে দেশটির ক্ষমতা দখল করে। একই সঙ্গে সু চিসহ দেশটির রাজনৈতিক ও গণতন্ত্রপন্থিদের গ্রেফতার করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দেশটিতে জরুরি অবস্থা জারি করে।

সেনা অভ্যুত্থানের পরপরই দেশটির গণতন্ত্রপন্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। এছাড়া এরপর থেকে বিভিন্ন এলাকায় সশস্ত্র গেরিলা তৎপরতাও বেড়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।