1. abunayeem175@gmai.com : Abu Nayeem : Abu Nayeem
  2. sajibabunoman@gmail.com : abu noman : abu noman
  3. asikkhancoc085021@gmail.com : asik085021 :
  4. nshuvo195@gmail.com : Nasim Shuvo : Nasim Shuvo
  5. nomun.du@gmail.com : Agri Nomun : Agri Nomun
  6. rajib.naser@gmail.com : Abu Naser Rajib : Abu Naser Rajib
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৯:০৮ অপরাহ্ন

ছুটি বাড়ছেই, নেই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা

মোশতাক আহমেদ
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটির ঘোষণা আবারও এল। গতকাল শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩০ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। আর আগেই বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পর।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবার বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে বন্ধের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা প্রত্যাশিতই ছিল। কিন্তু যে প্রশ্নের উত্তর নেই তা হলো, করোনা মহামারি শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে না এলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা কী। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জনসংখ্যার বড় অংশকে গণটিকাদানের আওতায় না আনতে পারা পর্যন্ত করোনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসবে না। সেটার জন্য এক থেকে দুই বছর বা তার বেশি সময়ও লাগতে পারে। প্রশ্ন হলো, তত দিন কি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, সরাসরি পাঠদান ও পরীক্ষার বিকল্প ব্যবস্থা কী হবে।

করোনা মহামারির শুরুর দিকে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে মন্ত্রণালয় নিয়মিত বিরতিতে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ বাড়ানোর খবর জানাচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার অপেক্ষায়, তাঁরা আশাহত হচ্ছেন। জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফ সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়, বিশ্বে বেশি দিন স্কুল বন্ধ থাকা ১৪টি দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

শিক্ষাবিদেরা ধাপে ধাপে খোলার পরামর্শ দিলেও মন্ত্রণালয় চায় একসঙ্গে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে। কিন্তু সেটিও বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। আবার শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজেও খুব একটা গতি নেই। শিক্ষক ও শিক্ষাবিদেরা বলছেন, এটা ঠিক যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা ঝুঁকিপূর্ণ। তবে করোনা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিকল্প ব্যবস্থা ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী, তা জানিয়ে দেওয়া উচিত।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ফাহিমা খাতুন বলেন, ‘ছুটি বৃদ্ধির অপরিকল্পিত পদক্ষেপ দেখতে দেখতে ক্লান্ত ও হতাশ হয়ে গিয়েছি। সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার ভিত্তিতে এখান থেকে বের হওয়ার পথ বের করতে হবে।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।