1. abunayeem175@gmai.com : Abu Nayeem : Abu Nayeem
  2. sajibabunoman@gmail.com : abu noman : abu noman
  3. asikkhancoc085021@gmail.com : asik085021 :
  4. nshuvo195@gmail.com : Nasim Shuvo : Nasim Shuvo
  5. nomun.du@gmail.com : Agri Nomun : Agri Nomun
  6. rajib.naser@gmail.com : Abu Naser Rajib : Abu Naser Rajib
সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

জর্জিয়া স্টেট সেনেটে বঙ্গবন্ধু ও ভাষা শহীদদের স্মরণ

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
জর্জিয়া স্টেট সেনেটে পাস হওয়া প্রস্তাব। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

জর্জিয়া স্টেট সিনেটের প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান সেনেটর শেখ রহমান এ প্রস্তাব এনেছিলেন। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জর্জিয়া সেনেটে তা গৃহীত হয়।

সেখানে বলা হয়, ভাষার স্থান মানুষের অন্তরের অন্তস্থলে। আর এই বিশ্বের ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য লালন বিকাশ ও সংরক্ষণের জন্য বহুভাষিকতা গুরুত্বপূর্ণ।

বাঙালির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরে সেখানে বলা হয়, “মাতৃভাষার অধিকার রক্ষায় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি নজিরবিহীন ত্যাগ স্বীকার করেছে বাংলাদেশ, দিনটি তারা পালন করে শহীদ দিবস হিসেবে।”

 

জর্জিয়া সেস্ট সেনেটে শেখ রহমান। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

জর্জিয়া সেস্ট সেনেটে শেখ রহমান। ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

 

১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাবকে সমর্থন করে। এরপর ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সেই প্রস্তাব গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে, সে কথাও বলা হয়েছে জর্জিয়া স্টেট সিনেটে পাস হওয়া প্রস্তাবে।

সেখানে বলা হয়, “বাংলাদেশ এ বছর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপান করছে, একইসঙ্গে চলছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর উদযাপন, যিনি ছিলেন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রনেতা।

“সুতরাং, এই সেনেটে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হচ্ছে যে, এই পর্ষদের সদস্যরা ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন এবং বাংলাদেশে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।”

সেনেটর শেখ রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মায়ের ভাষা তথা নিজ দেশ, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখার অভিপ্রায়ে যারা অকৃপণভাবে রক্ত দিয়েছেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি সেই চেতনা প্রবাস প্রজন্মে জাগ্রত রাখার জন্যে জর্জিয়া স্টেট সেনেটে এই প্রস্তাব পাস হওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।