1. abunayeem175@gmai.com : Abu Nayeem : Abu Nayeem
  2. sajibabunoman@gmail.com : abu noman : abu noman
  3. asikkhancoc085021@gmail.com : asik085021 :
  4. nshuvo195@gmail.com : Nasim Shuvo : Nasim Shuvo
  5. nomun.du@gmail.com : Agri Nomun : Agri Nomun
  6. rajib.naser@gmail.com : Abu Naser Rajib : Abu Naser Rajib
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

চাঙ্গা চাকরির বাজারে সক্রিয় প্রতারক চক্র

আশরাফুল হক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

চাকরির বাজার চাঙ্গা হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে দপ্তর-অধিদপ্তরগুলো করোনাকালীন দীর্ঘ ছুটির পর জনবল নিয়োগ শুরু করেছে। গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলোর চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই প্রতারক চক্র সারা দেশে সক্রিয় হয়ে পড়েছে। তারা প্রার্থীদের চাকরি দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক সময় প্রতারকরা মন্ত্রী-সচিবদের নামও ব্যবহার করে। এ কারণে চাকরির বাজার চাঙ্গা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মন্ত্রী-সচিবদের আতঙ্কও বেড়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

আগামী ৩০ অক্টোবর খাদ্য অধিদপ্তর সহকারী খাদ্য পরিদর্শক এবং আরও তিনটি পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নেবে। রাজধানীর একটি কলেজে প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত ৩০ মার্চ এ পদে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়। এরপর সরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়া আর এগিয়ে নিতে পারেনি খাদ্য অধিদপ্তর। বেকার চাকরিপ্রার্থীদের দুর্দশা লাঘব করার জন্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাজকর্ম অব্যাহত রাখার জন্য আবারও নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে তারা। সহকারী খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর পর প্রতারক চক্রও সক্রিয় হয়ে পড়েছে। তারা বিভিন্ন প্রার্থীকে চাকরি দেওয়ার টোপ দিচ্ছে। বিষয়টি খাদ্য অধিদপ্তর এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও জানেন।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘খাদ্য অধিদপ্তরের জনবল নিয়োগে কোনো অনিয়ম হবে না। টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। লিখিত পরীক্ষার পর ভাইভা হবে। প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে অনুসরণ করে তবেই যোগ্যদের নিয়োগ দেওয়া হবে। যদি কোনো ব্যক্তি বা চক্র টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার নিশ্চয়তা দেয় তাকে সরাসরি পুলিশের হাতে তুলে দিন। এই প্রতারক চক্র আমাদের সবার শত্রু।’

প্রতারক চক্রকে এত গুরুত্ব দেওয়ার কারণ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতারক চক্রের মিষ্টি কথায় নিরীহ মানুষরা তাদের হাতে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে দেয়। একটা চাকরি পাওয়ার জন্য যা করা দরকার বেকার সন্তানের পিতামাতা সবই করার চেষ্টা করেন। কেউ জমি বিক্রি করেন, কেউ গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বন্ধক রেখে কেউবা সুদের ওপর ঋণ নিয়ে প্রতারকদের হাতে টাকা তুলে দেন। চাকরির পেছনে ঘুরতে ঘুরতে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে। এই পরিবারগুলো আর কখনই ঘুরে দাঁড়াতে পারে না। এসব কারণে খাদ্য অধিদপ্তরের জনবল নিয়োগ যতই ঘনিয়ে আসছে আমাদের ততই টেনশন বাড়ছে। আমরা খবরের কাগজে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেব কেউ যেন চাকরি পাওয়ার জন্য টাকা-পয়সা লেনদেন না করেন। খাদ্য অধিদপ্তরে টাকা দিয়ে কারও চাকরি হবে না। এখানে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।’

সারা দেশে প্রায় ২৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদ সৃজন করা হয়েছে। আরও প্রায় ১০ হাজার শিক্ষক অবসরে গেছেন। মোট ৩৫ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। চাকরির কোটা সংক্রান্ত বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে তারা। মতামত পাওয়া গেলেই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে রয়েছেন ১৮ হাজার শিক্ষক। তাদের বিষয়টি নিষ্পত্তি হলে আরও ১৮ হাজার পদ শূন্য হবে। সব মিলিয়ে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের মোট ৫৩ হাজার পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।

অতীতে যখনই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে তখনই প্রতারক চক্র হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জনবল নিয়োগ একটা বাড়তি টেনশনের কাজ। কারণ প্রতারক চক্র বসেই থাকে কিছু প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির জন্য। যখনই এসব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয় তখনই তারা জাল বিস্তার শুরু করে। আমরা অবশ্য অন্যান্যবারের মতো এবারও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করব শিক্ষক নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম হবে না। লিখিত পরীক্ষাসহ প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হবে। টাকার বিনিময়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ সম্ভব নয়। প্রতারকদের ফাঁদে পা দেবেন না।’

এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সময়ও নানা ধরনের প্রতারণার অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে, কোনো কোনো মহল বা ব্যক্তি নানাভাবে প্রতারণার মাধ্যমে আবেদনকারীদের অবৈধ পন্থায় চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব বা আশ্বাসে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করছে।

সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট নকল করে নিয়োগ দিয়ে একটি চক্রের প্রতারণা বিষয়টি ফাঁস হয়। জাতীয় তথ্য বাতায়নের (পোর্টাল) আওতাধীন ওয়েবসাইটের আদলে ভুয়া ওয়েবসাইট বানিয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থার ভুয়া নিয়োগপত্র ইস্যু করে প্রতারণার চেষ্টা করা হয়েছিল। এ থেকে সবাইকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। গত ৬ সেপ্টেম্বর ভূমি মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (এলএটিসি) ইলেক্ট্রিশিয়ান মো. রুহুল আমিন কর্র্তৃপক্ষকে জানান কে বা কারা তাকে ফোন করে জানায় তারসহ আরও তিনজনের নামে www.latcgovbd.com ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়েছে। পরে মন্ত্রণালয় দেখতে পায় ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (এলএটিসি) ওয়েবসাইটের আদলে একটি নকল সাইট তৈরি করেছে প্রতারক চক্র। নকল ওয়েবসাইটটির ডোমেইনে নামের বানান ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ওয়েবসাইটের নামের বানানের থেকে আলাদা হলেও খুব কাছাকাছি।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাকছুদুর রহমান পাটোয়ারি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভূমি মন্ত্রণালয় কিংবা এর আওতাধীন দপ্তর বা সংস্থায় চাকরি দেওয়ার নাম করে কেউ যদি অর্থ দাবি করে তাহলে তৎক্ষণাৎ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাবেন। কারণ একটি প্রতারক চক্র নানাভাবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নাম ব্যবহার করে চাকরিপ্রার্থী সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে।’ এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান ভূমি সচিব।

শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে ১২টি পদে ১ হাজার ১৯৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ২২ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। মোংলা বন্দর কর্র্তৃপক্ষ ৬টি পদে ১৭৬ জনকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহীরা ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের একটি প্রকল্পে ৬ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডে ‘সহকারী ব্যবস্থাপক’ পদে ৩০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ৫ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ৮টি পদে ১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়ে ‘বয়লার টেকনিশিয়ান’ পদে ৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দেশ রূপান্তরকে বলেন, চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা চিঠি দিয়ে তাদের প্রার্থী নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করেন। নেতা এবং মন্ত্রীদের যে পরিমাণ সুপারিশ আসে বেশিরভাগ সময় সেই পরিমাণ পদও থাকে না। সুতরাং চাকরির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মন্ত্রী ও সচিবদের ঘুম নষ্ট হয়ে যায়। তারা কাকে রেখে কাকে নিয়োগ দেবেন এই টেনশনে পড়ে যান। শেষ পর্যন্ত অনেকেই কৌশলী সিদ্ধান্ত নেন। যারা লিখিত পরীক্ষায় পাস করেছেন তাদের অনেককে নিয়োগ দেন। তবে নেতা ও মন্ত্রীরা তদবির করলেও টাকা-পয়সা লেনদেনের অভিযোগ কম ওঠে। কিন্তু যারা প্রতারক তারাতো কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এসব ঝামেলার কারণে অনেক মন্ত্রী বা সচিব তাদের সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে চান না। কারণ অনেক মন্ত্রী-সচিবই নিয়োগ কেলেঙ্কারির অংশ হতে চান না।

করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সময়মতো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে পারেনি। এ কারণে যাদের আবেদন করার বয়সসীমা পার হয়ে গেছে, তাদের চাকরির আবেদন করার সুযোগ দিয়েছে সরকার। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়স শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে, তারাই কেবল এ সুযোগ পাবেন। তবে বিসিএস প্রার্থীরা এর আওতাভুক্ত হবেন না। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে ৩২ বছর। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়। তৃতীয় ও চতুর্থ  শ্রেণির পদগুলোতে নিয়োগের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী বহু মানুষ কর্মহীন ও চাকরিহীন হয়েছেন। একই সঙ্গে কমেছে চাকরির সার্কুলার ও আবেদনের হার। বাংলাদেশে ২০১৯ সালের এপ্রিলের তুলনায় চলতি বছরের এপ্রিলে অনলাইনে চাকরির সার্কুলারের হার কমেছে ৮৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি চাকরির সার্কুলার কমেছে পোশাক ও শিক্ষা খাতে। সার্কুলার কমলেও খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে এনজিও।

করোনা মহামারীর কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে কাজ বন্ধ করে দেওয়া মানুষদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ তাদের চাকরি হারিয়েছে।

এমন তথ্য পাওয়া গেছে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনেও। ‘লুজিং লাইভলিহুড : দ্য লেবার মার্কেট ইমপ্যাক্টস অব কভিড-১৯ ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে ঢাকায় চাকরি হারিয়েছেন ৭৬ শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৫৯ শতাংশ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু মানুষ কাজে ফিরে যাওয়ার আশায় আছেন এবং হয়তো তারা সেটি ফিরে না-ও পেতে পারেন। সুতরাং চাকরি হারানো মানুষের সংখ্যা বাস্তবে আরও বেশি হতে পারে। যারা চাকরি হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৫৪ শতাংশই পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। এরপর রয়েছেন পোশাককর্মীরা। তাদের মধ্যে চাকরি হারিয়েছেন ১৯ শতাংশ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।