1. abunayeem175@gmai.com : Abu Nayeem : Abu Nayeem
  2. sajibabunoman@gmail.com : abu noman : abu noman
  3. asikkhancoc085021@gmail.com : asik085021 :
  4. nshuvo195@gmail.com : Nasim Shuvo : Nasim Shuvo
  5. nomun.du@gmail.com : Agri Nomun : Agri Nomun
  6. rajib.naser@gmail.com : Abu Naser Rajib : Abu Naser Rajib
বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন

বিচারহীনতাই কর্মকর্তাদের ওপর হামলা উৎসাহিত করছে

আলী ইমাম মজুমদার
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদারের জন্ম ১৯৫০ সালে, কুমিল্লায়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে ১৯৬৯ সালে স্নাতক ও ১৯৭৩ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ১৯৭৭ সালে প্রশাসনিক ক্যাডারে যোগ দেন। বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব অন্যতম। ২০০৮ সালের নভেম্বরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। আলী ইমাম মজুমদার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য। বর্তমানে তিনি জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) বিভিন্ন প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। সম্প্রতি সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলা এবং জনপ্রশাসনের নানা বিষয় নিয়ে আলী ইমাম মজুমদার দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সম্পাদকীয় বিভাগের অনিন্দ্য আরিফ।

 

দেশ রূপান্তর : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। মাঠপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের ওপর হামলা নতুন নয়। বেশ কিছুদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক দল বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা মাঠপ্রশাসনের বিভিন্ন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওপর হামলা করছেন। এ ধরনের হামলাগুলো কেন ঘটছে?

আলী ইমাম মজুমদার : ক্ষেত্রবিশেষে কর্মকর্তারা যদি আইনকানুন মেনে চলতে চান তখন কিছু লোক প্রভাব খাটিয়ে স্বার্থ হাসিল করার মাধ্যমে তাদের কাজে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। এরা রাজনৈতিক দলের হতে পারে বা তার বাইরের কেউও হতে পারে। অনেকে খাসজমির ওপরে মার্কেট গড়ে তুলেছে। এক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হলো এটা উচ্ছেদ করা। আর এটা করতে গেলে বাধা আসে। প্রথমে বলা হয় এবং পরে চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তাদের আইনও মানতে হয়, আবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশও মানতে হয়। তাই তারা যখন দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হন, তখন চাপপ্রয়োগকারীরা ক্ষিপ্ত হন এবং কর্মকর্তাদের নাজেহাল করার সুযোগ খুঁজতে থাকেন। তাদের অনেকে অকুস্থলেই হামলার শিকার হন। অনেকেই আবার অফিসে হামলার শিকার হন। আর এবার আমরা দেখলাম বাসায় হামলার শিকার হতে। তবে এবারকার হামলার কারণটা এখনো জানা যায়নি। তবে আমরা আশঙ্কা করছি যে তারা আক্রোশবশত এ হামলা করেছে। প্রতিশোধ নিতে এ হামলা হয়েছে। যে চুরির কথা বলা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। কেননা বিছানার ওপর মোবাইল ফোন ছিল, ব্যাগে কয়েক হাজার টাকা ছিল। সেগুলো কিছুই নেয়নি। এ ঘটনার নেপথ্যে সেই পুরনো কাহিনীগুলোই থাকার কথা। এ ধরনের ঘটনা সত্যিই দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। ঘটনাগুলোর উৎস খুঁজে বের করতে হবে এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের আওতায় আনতে হবে।

এ দেশটাতে আমাদের সবার থাকতে হবে। রাজনৈতিক নেতাদের থাকতে হবে, আমাদেরও থাকতে হবে। তাই আমরা সবাই মিলে একটা সুন্দর সরকারব্যবস্থা যেন গড়ে তুলতে পারি, তার বন্দোবস্ত করা দরকার। আর সেখানে সরকারি কর্মকর্তাদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে। তাদের যে ভুলভ্রান্তি আছে, সেটা তাদের শোধরানো উচিত। যারা ত্রুটিবিচ্যুতি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে হবে। তাদের সার্ভিস নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রকে অনেক টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। সুতরাং, রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তাদের কাজ যথাযথভাবে পরিচালনা করতে দেওয়া উচিত।

দেশ রূপান্তর : আপনারা যখন প্রশাসনে কর্মরত ছিলেন, তখন কি এ ধরনের ঘটনা ঘটত?

আলী ইমাম মজুমদার : না তখন এ ধরনের ঘটত না। সরকারি কর্মকর্তাদের চ্যালেঞ্জ করার মতো পরিস্থিতি তখন তৈরি হয়নি। হয়তো-বা বিচ্ছিন্ন দু-একটা ঘটনা তখন ঘটেছে। এর কারণ আছে। তখন নদী দখল, খাসজমি দখলের মতো ঘটনা ঘটত না। তখন জমিজমার দাম এত বেশি ছিল না। এখন জমির দাম বেড়ে গিয়েছে, মানুষ বেশি হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি, সমাজে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরেকটা কারণ হচ্ছে, আগে যদি কেউ এগুলো করতে চাইত, তাহলে তার শাস্তি হতো। এখন দেখা যাচ্ছে, শাস্তি হচ্ছে না। এক ধরনের বিচারহীনতা এ কাজগুলোকে উৎসাহিত করছে। অনেকেই আইনের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। তখন এ অবস্থা ছিল না। সাম্প্রতিককালে অর্থাৎ বিগত ২০ বছরে এ প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

 

দেশ রূপান্তর : ঘোড়াঘাটে ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার পর প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টিকে সামনে এনেছেন। হামলার পর ঢাকাসহ সারা দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের বাসভবনে আনসার মোতায়েন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা কতটুকু নিশ্চিত করা যাবে?

আলী ইমাম মজুমদার : পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কখনোই সম্ভব নয়। নিরঙ্কুশ নিরাপত্তা কখনোই দেওয়া যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জন. এফ. কেনেডিও গুলিতে নিহত হয়েছিলেন। তবে উপজেলা পর্যায়ে যদি পুলিশ কিংবা সশস্ত্র আনসার দল নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা যায়, তাহলে নিরাপত্তার বিষয়টি অনেকাংশে দৃঢ়তা পাবে। তবে শুধু ইউএনওদের নয়, সব ধরনের সরকারি কর্মকর্তার নিরাপত্তার বিষয়টি শক্তভাবে তদারকির আওতায় আনতে হবে।

 

দেশ রূপান্তর : সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী লাঞ্ছিত হলে কিংবা তাদের ওপর হামলা হলে থানায় মামলা হচ্ছে বিভিন্ন ধারায়। কোনো মামলায় ৩০৭ ধারার সঙ্গে দ-বিধির ১৮৬ ও ৩৫৩ ধারা যুক্ত করা হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে শুধু ১৮৬ ও ৩৫৩ ধারায় মামলা করা হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার বিচারে প্রচলিত আইনের যথার্থ প্রয়োগই কি যথেষ্ট নাকি এ আইনকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন আছে?

 

আলী ইমাম মজুমদার : আমি মনে করি সরকারি কর্মকর্তাদের প্রোটেকশন দেওয়ার জন্য প্রচলিত যে আইন আছে, তা অপ্রতুল নয়। তাদের বাধা দেওয়া বা আঘাত করার ব্যাপারে যথেষ্ট শাস্তির বিধান প্রচলিত আইনে আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে অনেক ক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। তাদের চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। অনেকে আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে। তাই এক্ষেত্রে বিচার প্রক্রিয়া যথাযথ করার বিকল্প নেই। প্রকৃত দোষী যেই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে।

 

দেশ রূপান্তর : এদিকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিপুল সংখ্যক মামলা হতে দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৮ মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে ১ লাখ ১৫ হাজার মামলা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সময়মতো হাজির না হওয়ায় বা যথাযথ তথ্য-উপাত্ত না থাকার কারণে সরকার অনেক মামলা হেরে যাচ্ছে। বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন?

আলী ইমাম মজুমদার : মামলা করার অধিকার সবারই আছে। কাজেই মামলা হবে। এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সরকারের বিরুদ্ধে মামলা হলে জবাব দিতে সময়ক্ষেপণ করা যাবে না। সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য-উপাত্তে কোনো গ্যাপ থাকা যাবে না। মামলার নোটিস আসার পর জবাবটা দ্রুত ও তথ্যবহুল হওয়া দরকার। এক্ষেত্রে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে। সৎ, দক্ষ ও অভিজ্ঞদের পিপি নিয়োগ করা দরকার যাদের ওপর সরকার ভরসা করতে পারে। আইনের ডিগ্রিধারীদের নিয়ে অ্যাটর্নি সার্ভিস গঠন করতে পারলে এখানে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। কারণ সেখানে যারা যোগ দেবেন তাদের কাছে এটা চাকরি। চাকরির নিয়মশৃঙ্খলা ও বিধিবিধানের কারণে প্রায় সবাই সৎভাবে চলেন। কাজেই অ্যাটর্নি সার্ভিস করা দরকার।

 

দেশ রূপান্তর : প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক তরফ থেকে অযাচিত হস্তক্ষেপের একটা সংস্কৃতি দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান। এ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী?

আলী ইমাম মজুমদার : ১৯৯১ সালে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার সময় থেকে প্রশাসনে রাজনৈতিক তরফ থেকে অযাচিত হস্তক্ষেপের প্রবণতা শুরু হয়। দিন দিন এ প্রবণতা বেড়ে চলছে। এটাকে কোনোভাবেই কমানো যাচ্ছে না। এটা জনপ্রশাসনের দক্ষতাকে নষ্ট করছে। জনপ্রশাসনকে যদি অরাজনৈতিক না করা যায়, তাহলে সরকারি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে যথাযথ সেবা পাওয়া যাবে না।

 

দেশ রূপান্তর : করোনা মহামারী মোকাবিলায় মাঠ প্রশাসনের ভূমিকাকে কীভাবে মূল্যায়ন করেন?

আলী ইমাম মজুমদার : করোনার সময় মাঠ প্রশাসন একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। তবে অনিয়ম আর অব্যবস্থাপনার ঘটনা যে ঘটেনি, তা কিন্তু নয়। তবে সেটা আনুপাতিক হারে অনেক কম। বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে ইউএনও, উপজেলা পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা এবং সামরিক বাহিনীর সদস্যরা বড় ভূমিকা রেখেছেন। বিদেশ থেকে প্রবাসীরা দেশে আসার পর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে বলে ধারণা করা হয়েছে। তখন কিন্তু মানুষকে ঘরে ঢোকানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। একটা উপজেলায় যে পরিমাণ মানুষ থাকে, তার তুলনায় কর্মকর্তা কত? নিশ্চয়ই অনেক কম। সেখানে এ বিষয়গুলোর ব্যবস্থাপনা করা কঠিন হলেও তারা তো তা করতে সক্ষম হয়েছেন। কিছু বিচ্যুতি যে হয়নি, তা নয়। তবে তা সত্ত্বেও তারা এর ব্যবস্থাপনায় সক্ষম হয়েছেন।

আমার জীবদ্দশায় করোনার মতো চ্যালেঞ্জ আর দেখতে পাইনি। আমার মতে, সামর্থ্য অনুযায়ী দেশের মাঠ প্রশাসন যথেষ্ট ভালো কাজ করেছে। বিচ্যুতি কিছু হয়েছে। সেক্ষেত্রে যারা বিচ্যুতি করেছেন, তাদের আইনের আওতায় আনা যায়। কিন্তু গড়পড়তা হিসাবে তারা ভালো করেছেন। ত্রাণের দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকার অপরাধে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুল বা বিচ্যুতি ঘটলে সংশোধন করা যায়। আর ইচ্ছা অনুযায়ী অবজ্ঞা করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

 

দেশ রূপান্তর : দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়টি আলোচিত হয়ে আসছে। এ লক্ষ্যে সাবেক সচিব এ টি এম শামসুল হকের নেতৃত্বে গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ২০০০ সালের জুনে ‘একুশ শতকের জনপ্রশাসন’ নামে তিন খণ্ডের একটি প্রতিবেদন জমা দেয়। কিন্তু জানা যায়, এ প্রতিবেদনের কিছু অংশই মাত্র বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রতিবেদনটির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন প্রয়োজনীয় মনে করেন কি?

আলী ইমাম মজুমদার : প্রশাসনিক সংস্কার একটা চলমান প্রক্রিয়া। এক্ষেত্রে শামসুল হক সাহেব যে প্রতিবেদনটি দিয়েছিলেন, তা একটি অত্যন্ত ভালো প্রতিবেদন ছিল। বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এটার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন জরুরি। কিছু কিছু বিষয় কিন্তু অটোমেটিক্যালি বাস্তবায়িত হয়েছে। রিক্রুটমেন্ট প্রসেসে মেধাবীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা ছিল। ছাত্রদের আন্দোলনের জন্য হোক, আর যেভাবেই হোক, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে একটা কমিটি করেন। কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। তখন প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টারি ঘোষণা দেন। এটা কিন্তু মেধাবী তরুণ-তরুণীদের আকৃষ্ট করার জন্য করা হয়। তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এটা কিন্তু একটা ভালো ধরনের সংস্কার। জনপ্রশাসনের মধ্যে এটা একটা ইতিবাচক সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হয়। আরেকটি বিষয় ছিল বেতন-কাঠামো। আমরা অনেক কম বেতনে চাকরি করতাম। এখন আকর্ষণীয় পর্যায়ে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাই অনেকগুলো সংস্কার হয়েছে বলা যায়। তবে একুশ শতকের জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জন্য আরও সংস্কার প্রয়োজন। শক্তিশালী প্রশাসন ছাড়া বাংলাদেশ সরকার আগামী দিনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে পারবে না। এ জন্য সরকারের সর্বস্তরে দক্ষ ও মেধাবী প্রশাসক প্রয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।