
[bdnewsnetwork.com] গত রবিবার বিশ্ব ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ে প্রথম বারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। এই ঐতিহাসিক সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) নারী ক্রিকেটের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
মেয়েদের ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে, আইসিসি নিশ্চিত করেছে যে ২০২৯ সালের মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
আইসিসি-এর নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০২৯ সাল থেকে মহিলা ওয়ানডে বিশ্বকাপে আটটি দেশের বদলে মোট ১০টি দেশ (10 Teams) খেলার সুযোগ পাবে। দল বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে টুর্নামেন্টের ম্যাচের সংখ্যাতেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে:
| টুর্নামেন্ট পরিবর্তন | পূর্ববর্তী সংখ্যা | নতুন সংখ্যা (২০২৯ থেকে) |
| অংশগ্রহণকারী দল | ৮টি | ১০টি |
| মোট ম্যাচের সংখ্যা | ৩১টি | ৪৮টি |
এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে আইসিসি শুধু প্রতিযোগিতার উত্তেজনা বাড়াতে চাইছে না, বরং আয়ারল্যান্ড, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডস-এর মতো উদীয়মান দেশগুলোকেও বিশ্ব মঞ্চে ফিরে আসার সুযোগ দিতে চাইছে, যারা অতীতে (১৯৯৭ সালে ১১ দলের বিশ্বকাপে) অংশগ্রহণ করেছিল।
দল বাড়ানোর কারণ: মহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের রেকর্ড ভিউয়ারশিপ
আইসিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারতে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ মহিলা বিশ্বকাপের দর্শক সংখ্যা ছিল অভূতপূর্ব। এটিই ছিল দল বাড়ানোর সিদ্ধান্তের মূল চালিকাশক্তি:
আইসিসি-এর লক্ষ্য হলো এই বিপুল আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে নারী ক্রিকেটকে আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ও বৈশ্বিক করে তোলা।
ক্রিকেটের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য আইসিসি আরও একটি বড় অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সদস্য দেশগুলিকে দেওয়া লভ্যাংশ (Revenue Share) ১০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে।
এই অতিরিক্ত লভ্যাংশ দেশগুলিকে ঘরোয়া ক্রিকেটের উন্নতি সাধন, মহিলা ক্রিকেটের জন্য স্থায়ী পরিকাঠামো তৈরি এবং তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিভা অন্বেষণে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে সহায়তা করবে।
ছেলেদের বিশ্বকাপের (১৯৭৫) দু’বছর আগেই, অর্থাৎ ১৯৭৩ সালে মেয়েদের বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল। সেই প্রথম আসরে সাতটি দল অংশ নিয়েছিল। সময়ের সাথে দলের সংখ্যায় ওঠানামা হয়েছে:
মূল্য সংযোজন: এই সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী নারী ক্রিকেটকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশসহ অন্যান্য উদীয়মান ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলির জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করবে।