
কুমিল্লায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত। সম্প্রতি এক নজিরবিহীন অভিযানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-সহ নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনের ৪৪ জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এই আটকের ঘটনা ঘটেছে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে। বিশেষ করে, কুমিল্লা নগরীতে মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালে ২৯ জনকে আটক করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার বিচারকে কেন্দ্র করে এই তৎপরতা দমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আজ, রবিবার (১৬ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, রবিবার ভোরে কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ, ঝাউতলা ও বাদুরতলা এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। ভোর ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে এই ২৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, আটকদের কাছ থেকে ব্যানার ও লাঠি জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ব্যানারগুলোতে বিদেশে পলাতক কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এবং তাঁর মেয়ে তাহসিন বাহার সূচনার ছবি ছিল।
ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, "কুমিল্লায় অরাজকতা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটানোর উদ্দেশ্যেই সাবেক এমপি বাহার ও তাঁর মেয়ে সূচনার আর্থিক সহায়তায় নগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এই ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিয়েছিল।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই এই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায়কে কেন্দ্র করে নতুন করে তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছিল। এই অভিযান সেই তৎপরতা দমানোরই অংশ।
নগরীর পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে ছিল। জানা গেছে, শনিবার রাতভর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে আটকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৪ জন।
পুলিশের ভাষ্যমতে, এই নেতা-কর্মীরা 'জুলাই অভ্যুত্থান' দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থাকার পর তাদের এই নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ব্যাপক ধরপাকড় জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলার জন্য প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না—এই বার্তাই দিতে চাইছে প্রশাসন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। সাবেক প্রভাবশালী নেতাদের অনুপস্থিতিতে তাদের অনুসারীদের এই ধরনের তৎপরতা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন জটিলতা তৈরি করছে। এই ৪৪ নেতা-কর্মীর আটক দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
কুমিল্লায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত। সম্প্রতি এক নজিরবিহীন অভিযানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-সহ নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনের ৪৪ জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এই আটকের ঘটনা ঘটেছে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে। বিশেষ করে, কুমিল্লা নগরীতে মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালে ২৯ জনকে আটক করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার বিচারকে কেন্দ্র করে এই তৎপরতা দমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আজ, রবিবার (১৬ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, রবিবার ভোরে কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ, ঝাউতলা ও বাদুরতলা এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। ভোর ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে এই ২৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, আটকদের কাছ থেকে ব্যানার ও লাঠি জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ব্যানারগুলোতে বিদেশে পলাতক কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এবং তাঁর মেয়ে তাহসিন বাহার সূচনার ছবি ছিল।
ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, "কুমিল্লায় অরাজকতা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটানোর উদ্দেশ্যেই সাবেক এমপি বাহার ও তাঁর মেয়ে সূচনার আর্থিক সহায়তায় নগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এই ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিয়েছিল।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই এই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায়কে কেন্দ্র করে নতুন করে তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছিল। এই অভিযান সেই তৎপরতা দমানোরই অংশ।
নগরীর পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে ছিল। জানা গেছে, শনিবার রাতভর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে আটকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৪ জন।
পুলিশের ভাষ্যমতে, এই নেতা-কর্মীরা 'জুলাই অভ্যুত্থান' দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থাকার পর তাদের এই নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ব্যাপক ধরপাকড় জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলার জন্য প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না—এই বার্তাই দিতে চাইছে প্রশাসন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। সাবেক প্রভাবশালী নেতাদের অনুপস্থিতিতে তাদের অনুসারীদের এই ধরনের তৎপরতা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন জটিলতা তৈরি করছে। এই ৪৪ নেতা-কর্মীর আটক দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
কুমিল্লায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত। সম্প্রতি এক নজিরবিহীন অভিযানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ-সহ নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠনের ৪৪ জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এই আটকের ঘটনা ঘটেছে জেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে। বিশেষ করে, কুমিল্লা নগরীতে মিছিলের প্রস্তুতি চলাকালে ২৯ জনকে আটক করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনার বিচারকে কেন্দ্র করে এই তৎপরতা দমন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আজ, রবিবার (১৬ নভেম্বর ২০২৫) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রাশেদুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে এই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, রবিবার ভোরে কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ, ঝাউতলা ও বাদুরতলা এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা একটি ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। ভোর ৬টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা ধাওয়া করে এই ২৯ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, আটকদের কাছ থেকে ব্যানার ও লাঠি জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ব্যানারগুলোতে বিদেশে পলাতক কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এবং তাঁর মেয়ে তাহসিন বাহার সূচনার ছবি ছিল।
ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, "কুমিল্লায় অরাজকতা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটানোর উদ্দেশ্যেই সাবেক এমপি বাহার ও তাঁর মেয়ে সূচনার আর্থিক সহায়তায় নগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ এই ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিয়েছিল।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকেই এই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায়কে কেন্দ্র করে নতুন করে তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছিল। এই অভিযান সেই তৎপরতা দমানোরই অংশ।
নগরীর পাশাপাশি জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে ছিল। জানা গেছে, শনিবার রাতভর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ১৫ জন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়। সব মিলিয়ে আটকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৪ জন।
পুলিশের ভাষ্যমতে, এই নেতা-কর্মীরা 'জুলাই অভ্যুত্থান' দমাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচারের রায়কে কেন্দ্র করে এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় থাকার পর তাদের এই নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা স্থানীয় প্রশাসনকে সতর্ক করে তুলেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ব্যাপক ধরপাকড় জুলাই অভ্যুত্থানের পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা মোকাবিলার জন্য প্রশাসনের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমকে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না—এই বার্তাই দিতে চাইছে প্রশাসন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
কুমিল্লা দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। সাবেক প্রভাবশালী নেতাদের অনুপস্থিতিতে তাদের অনুসারীদের এই ধরনের তৎপরতা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন জটিলতা তৈরি করছে। এই ৪৪ নেতা-কর্মীর আটক দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।