1. abunayeem175@gmai.com : Abu Nayeem : Abu Nayeem
  2. sajibabunoman@gmail.com : abu noman : abu noman
  3. asikkhancoc085021@gmail.com : asik085021 :
  4. nshuvo195@gmail.com : Nasim Shuvo : Nasim Shuvo
  5. nomun.du@gmail.com : Agri Nomun : Agri Nomun
  6. rajib.naser@gmail.com : Abu Naser Rajib : Abu Naser Rajib
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১০:১২ অপরাহ্ন

যত দিন লকডাউন, তত দিন খোলা থাকবে সালমানের ‘ভাইজান’স কিচেন’

বিনোদন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
সালমান খান: ইনস্টাগ্রাম

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিপর্যস্ত ভারত। দুঃসময়ে আবারও মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন বলিউড তারকারা। যে যেভাবে পারছেন, সাহায্য করার চেষ্টা করছেন। আবারও সাহায্যের দুয়ার খুলে দিলেন সালমান খান। সালমানের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিয়িং হিউম্যান। তারই একটা শাখা খাবার নিয়ে কাজ করে, এর নাম ‘বিয়িং হাংরি’। বিয়িং হাংরি থেকে চালু করা হয়েছে ‘ভাইজান’স কিচেন’। এখান থেকে প্রাথমিকভাবে করোনাযোদ্ধাদের পাঁচ হাজার প্যাকেট খাবার দেওয়া হবে। গত রোববার থেকে শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম।

সালমান খান

সালমান খান: ইনস্টাগ্রাম

 

 

সালমানের সঙ্গে এই উদ্যোগে কাজ করছেন রাহুল কুনাল নামের শিবসেনা তরুণ সংঘের আরেক স্বেচ্ছাসেবক। তিনি সালমান খানকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক টুইটে লেখেন, ‘এই দুঃসময়ে সামনের সারির করোনাযোদ্ধাদের খাওয়ানোর উদ্যোগ আপনি ছাড়া সম্ভব হতো না। আমরা নিশ্চয়ই এই দুঃসময় পার করব।’ এই প্রতিবেদনের সঙ্গে হিন্দুস্তান টাইমস একটি ভিডিও জুড়ে দিয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সালমান খান নিজেই খাবারের প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন ডাক্তার, নার্স আর পুরাসভার কর্মীদের হাতে। সালমান খান নিজেই খাবারের মান পরীক্ষা করেছেন।

মায়ের সঙ্গে সালমান

মায়ের সঙ্গে সালমান

 

 

এদিকে সালমান খানের মা সালমা খান তাঁদের বাংলোয় একটা বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। সেখানে তাঁর তত্ত্বাবধানে রান্না হচ্ছে প্রতিদিন। আর সেই খাবার খাচ্ছেন বাংলোর নিরাপত্তারক্ষী, কর্মচারী ও কর্মকর্তা সবাই।

শোনা যাচ্ছে, যত দিন মুম্বাইয়ে লকডাউন চলবে, তত দিন খোলা থাকবে ‘ভাইজান’স কিচেন’। এই পাঁচ হাজার খাবার দিয়ে দেওয়া হলে আরও পাঁচ হাজার প্যাকেট খাবার বিলানোর উদ্যোগ নেবেন সালমান।

সালমান খান

সালমান খান: ইনস্টাগ্রাম

 

 

বিশ্বে করোনা সংক্রমণের কেন্দ্র হয়ে উঠছে ভারত। অনেক হাসপাতালেই শয্যা খালি নেই। রোগীর স্বজনেরা ছুটছেন এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে। গুরুতর অসুস্থ যেসব রোগী হাসপাতালে ভর্তি হতে পারছেন, তাঁদের অনেককেই আবার পড়তে হচ্ছে অক্সিজেন-সংকটে। হাসপাতালগুলোয় এসব সংকট প্রতিদিনই প্রকটতর হচ্ছে। সর্বোপরি বলা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কায় ভারতের স্বাস্থ্যব্যবস্থা যেন খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে। দিনরাত চিতা জ্বলছে শ্মশানগুলোয়। শোনা যাচ্ছে, ভারতে সক্রিয় করোনাভাইরাসের নতুন দুটি ধরনের মূল বৈশিষ্ট্যই হলো এটি দ্রুত ছড়ায়। আজ সোমবার পর্যন্ত বাংলাদেশে ভারতীয় ধরনের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। তবে শঙ্কা রয়েছে।

সালমান খান

সালমান খান: ইনস্টাগ্রাম

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।