1. abunayeem175@gmai.com : Abu Nayeem : Abu Nayeem
  2. sajibabunoman@gmail.com : abu noman : abu noman
  3. asikkhancoc085021@gmail.com : asik085021 :
  4. nshuvo195@gmail.com : Nasim Shuvo : Nasim Shuvo
  5. nomun.du@gmail.com : Agri Nomun : Agri Nomun
  6. rajib.naser@gmail.com : Abu Naser Rajib : Abu Naser Rajib
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হচ্ছে সাগরে, ১১০ কিমি বেগে আসার আশঙ্কা

যুগান্তর প্রতিবেদন
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২১ মে, ২০২১

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট বিশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত আছে। এখন পর্যন্ত এটি লঘুচাপে পরিণত হওয়ার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। উত্তর আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় শেষপর্যন্ত তা লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। যা পরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে এটি ২৬ মে সন্ধ্যা নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এর প্রভাব বাংলাদেশের খুলনা থেকে চট্টগ্রাম উপকূল বিস্তৃত হতে পারে। যদি এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয় তাহলে এর নাম হবে ‘ইয়াস’। ওমানের দেওয়া আরবি শব্দের এই নামের অর্থ হচ্ছে ‘মরিয়া’।

এদিকে এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে মৃদ্যু থেকে মাঝারি রকমের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। সাধারণত যে কোনো ঘূর্ণিঝড় প্রচুর বৃষ্টিপাত নিয়ে আসে। সেই হিসেবে ইয়াসের আগমনে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমতে পারে। সাধারণত সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়ে থাকে। সে কারণে বিদ্যমান তাপপ্রবাহের সঙ্গে লঘুচাপ-নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণিঝড়ের সম্পর্ক আছে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরির বিভিন্ন পর্যায় আছে। প্রথমে বিশেষ পরিস্থিতিটা লঘুচাপে রূপ নেয়। যা পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ এবং গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। এরপর ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ২৫ মে’র দিকে শক্তিশালী রূপ লাভ করতে পারে। আজকে দিনের যে কোনো সময়ে লঘুচাপটি তৈরি হতে পারে। তিনি কম্পিউটার মডেল পর্যালোচনা করে বলেন, ঘূর্ণিঝড়টির বাতাসের আনুমানিক গতি হতে পারে ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। তবে আশঙ্কার কথা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় বা এর আগের পর্যায়গুলো (লঘুচাপ ও নিম্নচাপ) সাগরে যত বেশি সময় ধরে থাকে, তত শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ পায়। তাই শেষ পর্যন্ত এটি যে সুপার ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে না- তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

এদিকে গত কয়েকদিনের তাপপ্রবাহ শুক্রবারও অব্যাহত ছিল। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের (বিএমডি) তথ্য অনুযায়ী- সীতাকুণ্ড, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও শ্রীমঙ্গল অঞ্চলসহ ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদ্যু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বেশি। এ কারণে গরমের অনুভূতিও বেশি। তবে স্থলভাগে বাতাসের গতিবেগ ৮-১২ কিলোমিটার থেকে ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে দমকা আকারে বাড়ছে। এ কারণে কিছুটা স্বস্তি আছে বলে জানান আবহাওয়াবিদরা।

বরিশাল ব্যুরো জানিয়েছে, গত ৬ দিন ধরে অসহনীয় দাবদাহ চলছে। তীব্র গরমে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বিভাগীয় আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক মাসুদ রানা রুবেল জানান, চলতি সপ্তাহের ৫ দিনে বরিশালের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রির নিচে নামেনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই ক্যাটাগরির আরো খবর

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।